ঢাকা, শনিবার ১৭, অক্টোবর ২০২৬ ৪:২১:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এক দিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের প্রাণহানি দুর্গাপূজার শুভেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রী: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার অক্টোবরের প্রথম ১৫ দিনে ডেঙ্গুতে ৯০ জনের মৃত্যু দুর্গাপূজায় ছুটির আমেজ, স্কুল ১০ ও কলেজে ১৬ দিন যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, ৩ শিশুসহ নিহত ৪ বাজারে স্বস্তি নেই, চড়া দামে সবজি-চাল-ডাল আজ মহাষষ্ঠী, সারা দেশে শুরু শারদীয় দুর্গোৎসব

আজ বিশ্ব বিড়াল দিবস: চাই মমতা ও নিরাপদ আশ্রয়

অনন্যা অনু | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৪ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

আজ ১৬ অক্টোবর, বিশ্ব বিড়াল দিবস। বিড়ালের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং পথবিড়ালের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে দিনটি পালিত হচ্ছে। বিশেষ করে রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ানো, খাবারের অভাবে থাকা এবং অসুস্থ বিড়ালগুলোর প্রতি সহমর্মী হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে এ দিনে।

বিশ্বজুড়ে বিড়াল মানুষের অতি পরিচিত সঙ্গী প্রাণী। কখনো ঘরের আদরের পোষ্য, কখনো বাড়ির আঙিনায় ঘুরে বেড়ানো ছোট্ট প্রাণী—বিড়াল মানুষের জীবনে আনন্দ ও সঙ্গের অনুভূতি নিয়ে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিড়ালের ছবি ও ভিডিও ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা শুধু ছবি তোলা কিংবা আদর করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তাদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রাণীকল্যাণ সংস্থা অ্যালি ক্যাট অ্যালাইস ২০০১ সালে ১৬ অক্টোবর জাতীয় পথবিড়াল দিবস চালু করে। পরে এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পরিসরে বিস্তৃত হয়ে ‘গ্লোবাল ক্যাট ডে’ বা বিশ্ব বিড়াল দিবস হিসেবে পরিচিতি পায়। দিনটির মূল বার্তা—বিড়ালও আমাদের সমাজ ও পরিবেশের অংশ; তাদের জীবন ও সুরক্ষার প্রতিও মানুষের দায়িত্ব রয়েছে। <escape></escape>

বাংলাদেশেও বাসাবাড়ি, বাজার, খাবারের দোকান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আশপাশে অসংখ্য পথবিড়ালের দেখা মেলে। এদের অনেকেই নিয়মিত খাবার পায় না। কেউ অসুস্থ হলে বা দুর্ঘটনায় আহত হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হয়। আবার কোথাও কোথাও বিড়ালকে তাড়িয়ে দেওয়া, নির্যাতন করা কিংবা ছানা ফেলে যাওয়ার মতো নিষ্ঠুর ঘটনাও ঘটে।

প্রাণীপ্রেমীদের মতে, পথবিড়ালের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা প্রয়োজন। বিড়ালকে নিয়মিত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, দায়িত্ব নিয়ে পোষ্য পালন এবং বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে মানবিক পদ্ধতিতে বন্ধ্যাকরণ কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো জরুরি। একই সঙ্গে পোষ্য প্রাণীকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস প্রতি বছর ৮ আগস্ট পালিত হয়। অন্যদিকে ১৬ অক্টোবর পালিত হয় গ্লোবাল ক্যাট ডে, যার বিশেষ গুরুত্ব পথবিড়াল ও সমাজে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর।

একটি প্রাণীর প্রতি মানুষের মমতা ও দায়িত্ববোধই মানবিক সমাজের পরিচয়। বিশ্ব বিড়াল দিবসের তাৎপর্য তাই শুধু এক দিনের উদ্‌যাপনে নয়; বরং বছরের প্রতিটি দিন বিড়ালসহ সব প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে।